ধর্মীয়ভাব গম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে নগরীতে সতীপীঠে বাসন্তী পূজার মহাঅষ্টমী উদযাপন
- আপডেট সময় : ০২:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিকট অতি পবিত্র ৫১ শক্তিপীঠের অন্যতম মহাপীঠ শ্রীশ্রী মহালক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠে ‘শ্রীশ্রী মহালক্ষ্মী ভৈরবী দেবী’র বার্ষিক পূজা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই পূজা অনুষ্ঠান সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৩০নং ওয়ার্ডের জৈনপুর, দক্ষিণ সুরমায় অবস্থিত মহালক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ মহাঅষ্টমীতে বাৎসরিক পূজার দ্বিতীয় দিনে অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি বেলা ১২ ঘটিকায় সিলেটের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সতীতীর্থ মহালক্ষী বিবাপীঠস্থান শ্রীহট্ট জয়পুর শীর্ষ বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী,প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী চন্দ্রনাথানন্দজী,বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন ও সেবা সমিতির অধ্যক্ষ ও সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী বেদময়ানন্দজী মহারাজ,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সরকারি হাই-কমিশনার শ্রী অনিরুদ্ধ দাস,হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি শ্রী সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু,রাজেশ ভাটিয়া সহকারি সচিব ভারতীয় হাই কমিশন সিলেট,বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপিকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন,জিওটে সংস্কৃত কলেজের একটা দিলীপ কুমার দাস চৌধুরী, দীপঙ্কর ভট্টাচার্য সভাপতি হবিগঞ্জ পুরোহিত মন্ডলী ও সিনিয়র সহ-সভাপতি ব্রাহ্মণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি, নিখিল মালাকার সাধারণ সম্পাদক পূজা উদযাপন পরিষদ দক্ষিণ সুরমা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, শিবব্রত ভৌমিক চন্দন সভাপতি পীঠস্থান পরিচালনা কমিটি,
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, জনার্দন চক্রবর্তীর মিন্টু সাধারণ সম্পাদক পীঠস্থান পরিচালনা কমিটি,সঞ্চালনায় সহযোগিতা করেন নিপেষ দেব পীযূষ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন,আমাদের সিলেট
দেশের সবার কাছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত, এখানে আমরা হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই একসাথে একে অপরের সাথে ভাতৃত্ব বন্ধনে যুগ যুগ ধরে বসবাস করে আসছি। তিনি আরও বলেন এই মহাপীঠস্থান মন্দিরের উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশন আগেও সার্বিক সহযোগিতা করেছে, এখনো আপনারা মন্দিরের উন্নয়নের জন্য যে সকল প্রকল্প হাতে নিয়েছেন , সেগুলোতে ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন এই উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা করবে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে সিলেট রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী চন্দ্রনাথানন্দজী বলেন, সনাতন ধর্মালম্বী আপনারা সকলেই আপনার দৈনন্দিন ব্যস্ততার মধ্যেও যখনই সময় পাবেন তখনই এই মহাপীঠ স্থানে আসবেন এবং দেবী সম্মুখে বসে আপনি নিজেকে জানার চেষ্টা করবেন, এতে করে স্রষ্টার সাথে আপনার একটি গভীর সম্পর্ক সৃষ্টি হবে। যখনই আপনি স্রষ্টার নৈকট্য লাভ করতে পারবেন তখনই মানুষে মানুষে ভাতৃত্বের সৃষ্টি হবে তখন একটি সুন্দর সমাজ ও একটি সুন্দর দেশ গঠন হবে। তাই সময় পেলেই এই মহাপীঠস্থানে আসবেন।
সুমন চক্রবর্তী’র বৈদিক মন্ত্র মাধ্যমে সভার সূচনা হয় এবং অধ্যাপক রাকেশ রঞ্জন শর্মা’র বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে সবার সমাপ্তি হয়
২৭ মার্চ শুক্রবার মহানবমীতে বার্ষিক পূজানুষ্ঠানে সর্বস্তরের ভক্তবৃন্দকে উপস্থিত থাকার জন্য শ্রীশ্রী মহালক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠ পরিচালনা কমিটির সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক জনার্দন চক্রবর্তী মিন্টু বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন,দীপক দাস, কৃপেশ পাল,শৈলেন কর, দীপঙ্কর পাল,মিন্টু দাস, রঞ্জিত কর, উজ্জ্বল রঞ্জন চন্দ,লাভলু দেব, পুলক দেব প্রমুখ।













